বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী জীবনের ১০-১৯ বৎসর সময়টাই হলো কৈশোর বা বয়ঃসন্ধিকাল। শৈশব ও যৌবনের এই সন্ধিক্ষণে ছেলেমেয়েদের শারিরীক ও মানসিক পরিবর্তন হয় ও তারা প্রজননক্ষম হয়।
হোম - নীড়পাতা / কিশোর কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদেরকে কিশোর-কিশোরী বলা হয়ে থাকে। এই সময়টা বয়ঃসন্ধিকাল। কিশোর-কিশোরীরা না শিশু না প্রাপ্ত বয়স্ক। এই সময়ে তাদের সেকেন্ডারী সেক্স ক্যারেকটার (যেমন, মেয়েদের মাসিক ঋৃতুস্রাব এবং স্তনের বৃদ্ধি, ছেলেদের বীর্যপাত এবং গলার স্বর পরিবর্তন ইত্যাদি) গুলির প্রকাশ ঘটে। আকস্মিক শারীরিক এ্ই পরিবর্তনের কারণ এবং এ্ই বিষয়ে তাদের জ্ঞান না থাকার কারনে তারা স্বভাবতই দিশেহারা থাকে। কিশোর কিশোরীরা সাধারনত লাজুক, পরনির্ভর ও অর্ন্তমুখী হয়ে থাকে। তারা না শিশুদের সাথে খেলতে পারে না বড়দের সাথে গল্প বা আড্ডায় মেতে থাকতে পারে। তাদের এ্ই শারীরিক পরিবর্তনের কথা বা এই সম্পর্কিত তাদের ঐসুক্য বাবা, মা বা বাড়ীর বড়দের কাছে প্রকাশ করতে পারেনা। এ অবস্থায় কেউ কেউ বন্ধুদের শরনাপন্ন হয়। অভিজ্ঞ এবং বয়সে বড় কারো কাছ থেকে পরামর্শ না পেলে কিশোর কিশোরীরা এ সময় বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে অভ্যস্ত হয়ে যায়।

কৈশোরে অনেকেই বিবাহিত বা বিবাহ বর্হিভূত যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। কিন্তু প্রজনন স্বাস্থ্য বা যৌনতা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারনে তারা অনাকাঙখিত গর্ভধারণ এর শিকার হয় এবং এ থেকে অনিরাপদ গর্ভপাতের ফলে অনেক কিশোরী মৃত্যুবরণ করে। প্রজননতন্ত্রের প্রদাহের ফলে পরবর্তীতে বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে। তাছাড়াও অজ্ঞতার কারনে এইচ আইভি/ এইড্স এ আক্রান্ত হবার আশংকা এই বয়সে অনেক বেশী হয়ে থাকে। তাই প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে কিশোর-কিশোরীদের জানা প্রয়োজন। এই সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞান থাকলে তারা তাদের নিজেদের প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারবে এবং বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ থেকে বিরত থাকতে পারবে। তাই বয়ঃসন্ধিকালে প্রজনন স্বাস্থ্য পরিচর্যা সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেয়া এবং সেবা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

কিশোরী মেয়েদের জন্য


    ঋতুস্রাব সম্বন্ধীয়ঃ
    • মাসিক ঋতুস্রাব একটি স্বাভাবিক দৈহিক প্রক্রিয়া।
    • ৩ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত থাকে, সাধারনতঃ ২৮ দিন পর পর হয় ।
    • এ সময় সবরকম খাবার খাওয়া যায়। তবে এ সময় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
    • এ সময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হয়।
    • ঋতুস্রাবে স্যানিটারী ন্যাপকিন ব্যবহার করা ভাল। তবে শুকনো পরিস্কার কাপড়ও ব্যবহার করা যায়। ব্যবহারের পর সেগুলি ভাল করে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে রৌদ্রে শুকিয়ে পরিস্কার জায়গায় রাখতে হবে যেন কোন ধূলা বা ময়লা না লাগে।
    • এ সময় তলপেটে অল্প ব্যথা অনুভূত হয় কিন্তু বেশী ব্যথা বা খুব দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
    • ঋতুস্রাব ৭ দিনের বেশী বা এক মাসে দুবার হলে বা অধিক মাত্রায় রক্তক্ষরণ হলে বা প্রায়ই অনিয়মিত বা বন্ধ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
    • এ সময় নিজেকে অশুচি ভাবার কোন কারণ নেই। প্রাত্যহিক কাজকর্ম স্বাভাবিক ভাবে করাই বাঞ্চনীয়।


    সাদাস্রাব বা চুলকানিঃ
    • যোনীস্থানে সংক্রমণ বা প্রদাহের জন্য সাদা স্রাব বা চুলকানি হতে পারে।
    • যৌন মিলন ছাড়াও মাসিকের সময় ব্যবহ্রত কাপড় বা অপরিচ্ছন্ন অর্ন্তবাস থেকে এ সংক্রমণ হতে পারে। মারাত্বক অপুষ্টিজনিত কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেও এই সংক্রমণ হতে পারে।
    • সাধারণতঃ ট্রাইকোমনাস নামক পরজীবি বা ক্যানড্ডিা নামক ছত্রাক দিয়ে এই সংক্রমণ ঘটে থাকে। তাই চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে নিয়ম মতো ঔষধ খেলে, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকলে এবং পুষ্টিকর খাবার খেলে এই রোগ সেরে যায়।
    • বিবাহিত কিশোরীদের স্বামী সহ চিকিৎসা করতে হবে।
    • শরীরের অন্যান্য অংশের রোগের মত এটাও একটি অসুখ, এ নিয়ে লজ্জা পাওয়া উচিত নয়।


    স্তনের সমস্যা জনিতঃ
    • বয়ঃসন্ধিকালে স্তনে ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক, বিশেষত ঋতুস্রাবের আগে বা ঋতুস্রাব চলাকালীন সময়ে।
    • স্তনে চাকা অনুভূত হওয়া বা স্তনের বোটা থেকে রস নিসৃত হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
    • পরিস্কার এবং সঠিক মাপের অর্ন্তবাস পরা উচিত। খুব ঢিলা বা খুব টাইট অর্ন্তবাস পরা উচিত নয়। আমাদের দেশের আবহাওয়ায় সূতী আর্ন্তবাস পরা আরামদায়ক এবং স্বাস্হ্য সম্মত। রাতে ঘুমাবার সময় অর্ন্তবাস খুলে রাখা উচিত।


    পুষ্টিঃ
    • বয়ঃসন্ধিকালে পুষ্টি খুবই প্রয়োজন। কারণ এই সময় শরীর দ্র“ত বৃদ্ধি পায়।
    • এ সময় পুষ্টিকর খাবার না খেলে শরীরের বৃদ্ধি হয়না। ফলে বয়সের তুলনায় সঠিক ওজন ও উচ্চতা লাভ করতে পারেনা।
    • আয়রন এবং ভিটামিনের অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। বিশেষ করে ঋতুস্রাবের ফলে কিশোরীদের মধ্যে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। এদেশে অনেক মেয়েই কৈশোরে মা হয়। তাদেরও অপুষ্টি ও রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। রক্তস্বল্পতার কারণে যে কোন কাজেই অল্পতে ক্লান্তি আসে।


    কম বয়সে বিয়ে এবং গর্ভধারণঃ
    • বাংলাদেশ সরকারের আইনুযায়ী মেয়েদের ১৮ বৎসরের আগে আর ছেলেদের ২১ এর আগে বিয়ে করা দন্ডনীয় অপরাধ।
    • শরীর পূর্ণতা লাভের আগে বিয়ে করলে এবং সন্তান ধারণ করলে মা ও শিশুর উভয়েরই মৃত্যু ঝুঁকি থাকে ।



কিশোরদের জন্য বার্তা সমূহঃ


    স্বপ্নদোষঃ
    • ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। অজ্ঞতার অভাবে এ নিয়ে বয়:সন্ধিকালে কিশোররা দুঃশ্চিন্তায় ভুগে থাকে। এতে স্বাস্হ্য হানি হয়না বা ভবিষ্যতে যৌন শক্তি কমেনা। তাই স্বপ্নদোষ হলে কোন দুশ্চিন্তা করা বা মন খারাপ করা উচিত নয়। ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত হবার পর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে পরিস্কার কাপড় পরা এবং স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করা উচিত।


    মাদকাশক্তিঃ
    • কৈশোরের সহজাত প্রবৃত্তি হচ্ছে ঐসুক্য। নূতন কিছু করার প্রবনতা। এ সময়ে কিশোর-কিশোরীদের কাছে পিতা মাতার চেয়ে প্রাধান্য পায় বন্ধু-বান্ধব। নূতন কিছুর স্বাদ নেবার জন্য নিছক ঐসূক্যই এ সময় তারা পা বাড়ায় মাদকের দিকে পরবর্তীতে যা নেশায় পরিণত হয়। শরীর ও মন দুটোই নির্ভর হয়ে পড়ে মাদকাশক্তিতে। ভালো বন্ধু-বান্ধব, স্নেহময় নিরাপদ পারিবারিক পরিবেশই কিশোর-কিশোরীদের মাদকদ্রব্য থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে।


    হস্তমৈথুনঃ
    • বয়ঃসন্ধিকালে অনেক কিশোর হস্তমৈথুন করে থাকে এবং এ নিয়ে দুঃশ্চিন্তা এবং পাপবোধ এ ভোগে। মানুষের স্বাভাবিক যৌন আচরণের মতো হস্তথৈুনও একটি স্বাভাবিক আচরণ। কিন্তু অতিরিক্ত সব কিছু করা যেমন ভাল নয় তেমনি হস্তমৈথুননের ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য।



বয়ঃসন্ধি কালে মানসিক পরিবর্তনের ফলে কিশোর-কিশোরীদের আচরণগত বৈশিষ্ট্য সমূহঃ

  • এ সময় কিশোর-কিশোরীরা আত্মনির্ভর হতে চেষ্টা করে
  • স্বাধীনচেতা মনোভাব পোষন করে এবং সব বিষয়ে স্বাধীনতা চায়
  • অনেক নতুন বন্ধু-বান্ধব এর সাথে মেলামেশা করে
  • নতুন কিছুর দিকে আগ্রহ থাকে
  • আত্ম সচেতন হবার কারণে নতুন নতুন পোষাক এবং ফ্যাশন সচেতন পোষাক এর দিকে বেশী মনোযাগী হয়
  • খাবার দাবার এর প্রতি অনীহা দেখায় এবং কিশোরীরা কম খেয়ে ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে চায়
  • বাবা মা বা পরিবারের সান্নিধ্যের চেয়ে বন্ধু-বান্ধবের সহচর্য বেশী পছন্দ করে
  • গোপনীয়তা বজায় রাখতে চায়, তার নিজস্ব একটা জগত তৈরী করে নেয়
  • স্নেহ ভালবাসার জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকে
  • পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না
  • বয়ঃসন্ধিকালে শারীরিক পরিবর্তনের কারণে নিজেকে নিয়ে বিব্রত থাকে


বয়ঃসন্ধিকালে মানসিক পরিবর্তনের জন্য কিছু সমস্যা ও সমাধানে পরামর্শঃ


    রাগঃ
    রাগ হওয়া একটি ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ। নিজের আশানুরূপ কাজ বা কথার অন্যথা হলে মানুষের রাগ হয়। রাগ হওয়া কোন অনুচিত বিষয় নয়। তবে লক্ষ্য করতে হবে রাগের প্রকাশ যেন সীমা অতিক্রম না করে । রাগের প্রকাশ এমন হওয়া উচিত নয় যা অন্যকে মানসিক বা শারীরিকভাবে আঘাত করে বা অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করে। রাগ প্রকাশ করার সময় গাল দেয়া, খারাপ কথা বলা, কারো পিছনে কথা বা দুর্বলতার কথা বলে তাকে উত্তেজিত না করা এ সব বিষয়ে সচেষ্ট হওয়া উচিত।

      রাগ কমাতে হলেঃ
      1. নিদির্ষ্ট বিষয়টি নিয়ে পরিস্কার ভাবে আলোচনা করে ধারণা স্বচ্ছ করা।
      2. রাগ পুষে না রেখে তখনই মিটিয়ে ফেলা এবং ভুলে যাওয়া। সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য রাগ মিটিয়ে ফেলা ভালো।
      3. রাগের সময় ধীরে ধীরে এবং গাঢ় শ্বাস নিলে উপকারে আসে।
      4. সম্ভব হলে রাগের পরিস্থিতি থেকে সাময়িকভাবে কিছুক্ষনের জন্য হলেও সরে যাওয়া এবং শান্ত হওয়ার জন্য সময় নেয়া।
      5. অন্য কোন বিষয় নিয়ে কথা বলা।
      6. নিজের এই সময়ের মনোভাব ডায়রি বা কাগজে লিখে রাখা।


    সমবয়সীদের অন্যায় দাবী মানতে না পারা বা তাদের দ্বারা প্রত্যাখিত হওয়াঃ
    এরকম অবস্হা কিশোর কিশোরীদের পক্ষে সহজে সহ্য করা সম্ভব হয় না। এতে তারা নিজেদের খুব ছোটভাবে এবং মুষড়ে পড়ে।

      এই অবস্হার মোকাবেলা করতে হলে-
      1. যুক্তি দিয়ে বিষয়টা বুঝতে বা বুঝাতে হবে। অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে নিজেকে বুঝতে হবে।
      2. মূল্যাবোধের সঙ্গে আপোষ করা যাবে না।
      3. যে প্রত্যাখান করেছে তার সঙ্গে বা অন্য বন্ধু ও বয়স্কদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা।
      4. যারা প্রশংসা করে বা যারা সমমনা তাদের খুঁজে নেওয়া।


    ব্যর্থতাঃ

    সবাই চায় কোন কাজে সফল হয়ে দলের সদস্যদের প্রশংসা পেতে। কিন্তু বিপরীত কিছু হলে মানুষ লজ্জা পায়, অপমানিত বোধ করে এবং মুষড়ে পড়ে। সাধারনতঃ লেখাপড়া, খেলাধুলা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক কাজে এরকম হয়ে থাকে।

      এই অবস্হার মোকাবেলা করতে হলে-
      1. ব্যর্থতার কারণ খুঁজে দেখা ও বিশে-ষণ করা।
      2. সাফল্য ও ব্যর্থতা জীবনেরই অংশ একে মেনে নেওয়া ।
      3. বাস্তব ভিত্তিক লক্ষ স্থির করা।


    ব্যঙ্গ/বিদ্রুপ/ঠাট্রাঃ

    অন্যের দ্বারা উচ্চারিত নিজের প্রতি কোনো অপমানকর শব্দ/কথা বা অঙ্গভঙ্গি মানুষকে কষ্ট দেয়, অপমান করে, মন খারাপ করে দেয় এবং অপ্রস্তুত করে।

      এই অবস্হা থেকে নিস্তার পেতে হলে-
      1. বিষয়টিকে আমল না দেয়া
      2. ঠাট্টাকে ঠাট্টা হিসাবে নেয়া
      3. যে ঠাট্টা করেছে তার সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করা
      4. ভাল উপদেশ হিসাবে গ্রহণ করা


    দ্বন্দ্ব / সংঘাতঃ

    দ্বন্দ্ব্ব / সংঘাত তখনই হয় যখন প্রত্যাশা অনুসারে প্রাপ্তি হয় না, পুরুষ মহিলার গতানুগতিক দায়িত্ব বা ভূমিকা প্রত্যাশা অনুসারে না হলে দ্বন্দ্ব বা সংঘাত বাধে।

      যে সব কারণে দ্বন্দ্ব বা সংঘাত হয়, তা হলো-
      1. মূল্যবোধের গুরুত্বের পার্থক্য হলে দ্বন্দ্ব হয়
      2. পদ মর্যাদা ক্ষুন্ন হলে দ্বন্দ্ব হয়
      3. ব্যক্তিত্বের পার্থক্য হলে দ্বন্দ্ব হয়।

      পিতা মাতা ও কিশোর কিশোরীদের মধ্যে যে সব বিষয়ে দ্বন্দ্ব বাধে তা হচ্ছে-
      1. আধুনিক ফ্যাশন অনুযায়ী চাল চলন
      2. ব্যক্তিগত খরচের আকাঙ্খা
      3. ধর্ম পালনে অনীহা
      4. সম্পর্কের পছন্দ অপছন্দ
      5. জীবিকা বাছাই
      6. ব্যাপক স্বাধীনতা

      দ্বন্দ্ব নিরসন করা একান্ত আবশ্যক। তা না হলে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
        দ্বন্দ্ব নিরসনের উপায় হচ্ছে-
        1. অবস্হাকে মেনে নেয়া
        2. খোলাখুলি আলোচনা করা
        3. যুক্তি নির্ভর অবস্থার সৃষ্টি করা
        4. মিলে মিশে থাকা
        5. গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি পুনবিন্যাস করা
        6. বাবা-মা সব সময় সন্তানের ভাল চান। তাই তাঁদের উপদেশকে কল্যাণকর মনে করে বিষয়টি নিয়ে ভাবা উচিত ও পালনে সচেষ্ঠ হওয়া উচিত


      দুশ্চিন্তা / মানসিক চাপঃ

      জীবনের চাহিদা মেটাতে না পারলে দুশ্চিন্তা হয়। দুশ্চিন্তা যখন সহ্য ক্ষমতা ছাড়িয়ে যায়-তখন পরিস্থিতির অবনতি হয়। কৈশোর কালের মানসিক চাপের কারণ দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে না পারা।

        দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে হলে -
        1. শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে হবে
        2. খোলাখুলি আলোচনা করা
        3. জীবন যাত্রায় কৌতুক ও রসবোধ জাগাতে হবে
        4. জীবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব রাখতে হবে
 
হোম / নীড়পাতা | বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নমালা | যোগাযোগ | ওয়েব মেইল
Courtesy :
United Nations Population Fund